ঢাকা ০৯:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইতিহাসের দীর্ঘতম নো বল— আমিরকে ছাড়িয়ে গেলেন আরেক পাকিস্তানি!

ঢাকার পত্রিকা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • / 35

পাকিস্তানের ফাস্ট বোলার আসাদ আখতার খুবই অদ্ভুতুড়ে নো বল করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুললেন। পাকিস্তানের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপ ম্যাচে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

পেশাওয়ারের ইমরান খান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে লাহোর ব্লুসের বিপক্ষে করাচি ব্লুসের হয়ে ওই ওভারে আসাদ ২১ রান দেন। দুটি ওয়াইড ও দুটি নো বলও দেন তিনি। নো বলের একটিতে তার সামনের পা বোলিং ক্রিজ থেকে অনেক দূরে ছিল। তাতে অনেকেই ২০১০ সালে লর্ডস টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করা মোহাম্মদ আমিরের কুখ্যাত নো বলের স্মৃতিচারণ করেছেন। ওইবার পাকিস্তানের পেসার স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ হন।

একজন এক্স-এ লিখেছেন, ‘পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি কাপে আসাদ আখতারের নো বল কেবল বড়ই ছিল, এটা ছিল আতঙ্কিত হওয়ার মতো বড়। এই বল তাৎক্ষণিকভাবে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারির সময়ে মোহাম্মদ আমিরের করা কুখ্যাত নো বলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একই ওভারে দুটি ওয়াইড ও দুটি নো বল। সবগুলোই ছিল দাগের বাইরে, এর মধ্যে একটি এতটাই দূরে? এই ধরনের ডেলিভারি গুরুতরভাবে প্রশ্ন তুলছে। পাকিস্তান ক্রিকেট এমন দৃশ্য আগেও দেখেছে।’

আরেকজনের মতে, এত লম্বা নো বল আগে কখনো দেখেননি। তার কথা, ‘এটাই কি ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে লম্বা নো বল? করাচি ব্লুর আসাদ আখতার পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি কাপে বড় ওভারস্টেপ করেছেন।’

স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ করে আরেকজন লিখেছেন, ‘২৫ বছর বয়সী পাকিস্তানি পেসার তাদের চলমান টি-টোয়েন্টিতে আসাদ আখতার চলমান শীর্ষ ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে যে বল করেছেন, তা নিঃসন্দেহে সন্দেহজনক। আবারো স্পট ফিক্সিং!’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইতিহাসের দীর্ঘতম নো বল— আমিরকে ছাড়িয়ে গেলেন আরেক পাকিস্তানি!

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

পাকিস্তানের ফাস্ট বোলার আসাদ আখতার খুবই অদ্ভুতুড়ে নো বল করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুললেন। পাকিস্তানের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপ ম্যাচে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

পেশাওয়ারের ইমরান খান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে লাহোর ব্লুসের বিপক্ষে করাচি ব্লুসের হয়ে ওই ওভারে আসাদ ২১ রান দেন। দুটি ওয়াইড ও দুটি নো বলও দেন তিনি। নো বলের একটিতে তার সামনের পা বোলিং ক্রিজ থেকে অনেক দূরে ছিল। তাতে অনেকেই ২০১০ সালে লর্ডস টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করা মোহাম্মদ আমিরের কুখ্যাত নো বলের স্মৃতিচারণ করেছেন। ওইবার পাকিস্তানের পেসার স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ হন।

একজন এক্স-এ লিখেছেন, ‘পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি কাপে আসাদ আখতারের নো বল কেবল বড়ই ছিল, এটা ছিল আতঙ্কিত হওয়ার মতো বড়। এই বল তাৎক্ষণিকভাবে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারির সময়ে মোহাম্মদ আমিরের করা কুখ্যাত নো বলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একই ওভারে দুটি ওয়াইড ও দুটি নো বল। সবগুলোই ছিল দাগের বাইরে, এর মধ্যে একটি এতটাই দূরে? এই ধরনের ডেলিভারি গুরুতরভাবে প্রশ্ন তুলছে। পাকিস্তান ক্রিকেট এমন দৃশ্য আগেও দেখেছে।’

আরেকজনের মতে, এত লম্বা নো বল আগে কখনো দেখেননি। তার কথা, ‘এটাই কি ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে লম্বা নো বল? করাচি ব্লুর আসাদ আখতার পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি কাপে বড় ওভারস্টেপ করেছেন।’

স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ করে আরেকজন লিখেছেন, ‘২৫ বছর বয়সী পাকিস্তানি পেসার তাদের চলমান টি-টোয়েন্টিতে আসাদ আখতার চলমান শীর্ষ ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে যে বল করেছেন, তা নিঃসন্দেহে সন্দেহজনক। আবারো স্পট ফিক্সিং!’