ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্দরে অনৈতিক লেনদেন প্রমাণ হলে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা

ঢাকার পত্রিকা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৫১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / 14

বন্দরে অনৈতিক লেনদেন প্রমাণ হলে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা
বুধবার, জুন ১৭, ২০২৬; সময় : ১২:০৭ অপরাহ্ণ

সুপ্রভাত ডেস্ক »

চট্টগ্রাম বন্দরে ফাইল প্রক্রিয়াকরণ, বিল অনুমোদনসহ দাপ্তরিক কাজে ঘুষ ও অনৈতিক লেনদেনের ঘটনা বেড়েছে। এ সংক্রান্তে একাধিক অভিযোগ জমা হওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে কতৃপক্ষ।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, কোনো ধরনের লেনদেনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে নেওয়া হবে সর্বোচ্চ প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা। একইসঙ্গে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করলে ঠিকাদার ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানের সই করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

সংস্থাটির ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্বে থাকা মো. নাসির উদ্দিন আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আদেশে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চবকের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফাইল প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়া গেলে এবং তদন্তে তা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বন্দর প্রবিধানমালা অনুযায়ী সর্বোচ্চ প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এতে আরও বলা হয়, কোনো ঠিকাদার বা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান যদি কোনো বিল পাস বা ফাইল প্রক্রিয়াকরণের উদ্দেশ্যে চবকের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে আর্থিক সুবিধা প্রদান করেন বা দেওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে ওই প্রতিষ্ঠানকে তাৎক্ষণিকভাবে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

বন্দর সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরে সেবা নিতে আসা অনেক প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন দাপ্তরিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এসব প্রক্রিয়ায় বিলম্ব, ফাইল আটকে রাখা বা হয়রানির অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে উঠেছে। এমন অভিযোগের প্রেক্ষাপটেই এবার প্রকাশ্যে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে সতর্ক করল বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারী সেবাগ্রহীতাদের কোনো শাখায় হয়রানির শিকার হলে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বন্দরে অনৈতিক লেনদেন প্রমাণ হলে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা

আপডেট সময় : ০২:৫১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

বন্দরে অনৈতিক লেনদেন প্রমাণ হলে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা
বুধবার, জুন ১৭, ২০২৬; সময় : ১২:০৭ অপরাহ্ণ

সুপ্রভাত ডেস্ক »

চট্টগ্রাম বন্দরে ফাইল প্রক্রিয়াকরণ, বিল অনুমোদনসহ দাপ্তরিক কাজে ঘুষ ও অনৈতিক লেনদেনের ঘটনা বেড়েছে। এ সংক্রান্তে একাধিক অভিযোগ জমা হওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে কতৃপক্ষ।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, কোনো ধরনের লেনদেনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে নেওয়া হবে সর্বোচ্চ প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা। একইসঙ্গে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করলে ঠিকাদার ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানের সই করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

সংস্থাটির ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্বে থাকা মো. নাসির উদ্দিন আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আদেশে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চবকের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফাইল প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়া গেলে এবং তদন্তে তা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বন্দর প্রবিধানমালা অনুযায়ী সর্বোচ্চ প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এতে আরও বলা হয়, কোনো ঠিকাদার বা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান যদি কোনো বিল পাস বা ফাইল প্রক্রিয়াকরণের উদ্দেশ্যে চবকের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে আর্থিক সুবিধা প্রদান করেন বা দেওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে ওই প্রতিষ্ঠানকে তাৎক্ষণিকভাবে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

বন্দর সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরে সেবা নিতে আসা অনেক প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন দাপ্তরিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এসব প্রক্রিয়ায় বিলম্ব, ফাইল আটকে রাখা বা হয়রানির অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে উঠেছে। এমন অভিযোগের প্রেক্ষাপটেই এবার প্রকাশ্যে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে সতর্ক করল বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারী সেবাগ্রহীতাদের কোনো শাখায় হয়রানির শিকার হলে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।