ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এবার এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনছে সরকার, চুক্তি অক্টোবরে

ঢাকার পত্রিকা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:০২:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 24

বোয়িংয়ের পর এবার এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে আগামী অক্টোবরেই চুক্তি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ একসঙ্গে দেশে আসবে না। ধাপে ধাপে এগুলো বিমান বহরে যুক্ত করা হবে।

বোয়িংয়ের সঙ্গে উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির বিষয়েও বিস্তারিত জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, এর আগে বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছিল। নতুন করে আরও ১১টি যুক্ত হওয়ায় মোট ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি ওয়াইড-বডি এবং ১০টি ন্যারো-বডি উড়োজাহাজ।

চুক্তি অনুযায়ী, ২৫টি বোয়িংয়ের প্রথম উড়োজাহাজটি ২০৩১ সালে দেশে আসবে। এরপর পর্যায়ক্রমে ২০৩৫-৩৬ সাল পর্যন্ত অন্য উড়োজাহাজগুলো বহরে যুক্ত হবে।

মন্ত্রী জানান, এসব উড়োজাহাজের জন্য চুক্তির সময় পুরো অর্থ পরিশোধ করতে হবে না। উড়োজাহাজ দেশে পাওয়ার পর অর্থ পরিশোধ করা হবে। বিমান বহর থেকে আয় করে সেই অর্থ পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

দেশের এভিয়েশন খাতকে আরও শক্তিশালী করতে বিমান বহর বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন বিমানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের যাত্রী পরিবহনের বড় একটি অংশ বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোর দখলে। জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বর্তমানে দেশের মোট যাত্রীর প্রায় ২০ শতাংশ পরিবহন করতে পারছে।

বিমান বহর বাড়ানো গেলে আন্তর্জাতিক গন্তব্যের সংখ্যা ও ফ্লাইট পরিচালনার সক্ষমতা আরও বাড়ানো সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এবার এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনছে সরকার, চুক্তি অক্টোবরে

আপডেট সময় : ০৫:০২:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বোয়িংয়ের পর এবার এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে আগামী অক্টোবরেই চুক্তি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ একসঙ্গে দেশে আসবে না। ধাপে ধাপে এগুলো বিমান বহরে যুক্ত করা হবে।

বোয়িংয়ের সঙ্গে উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির বিষয়েও বিস্তারিত জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, এর আগে বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছিল। নতুন করে আরও ১১টি যুক্ত হওয়ায় মোট ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি ওয়াইড-বডি এবং ১০টি ন্যারো-বডি উড়োজাহাজ।

চুক্তি অনুযায়ী, ২৫টি বোয়িংয়ের প্রথম উড়োজাহাজটি ২০৩১ সালে দেশে আসবে। এরপর পর্যায়ক্রমে ২০৩৫-৩৬ সাল পর্যন্ত অন্য উড়োজাহাজগুলো বহরে যুক্ত হবে।

মন্ত্রী জানান, এসব উড়োজাহাজের জন্য চুক্তির সময় পুরো অর্থ পরিশোধ করতে হবে না। উড়োজাহাজ দেশে পাওয়ার পর অর্থ পরিশোধ করা হবে। বিমান বহর থেকে আয় করে সেই অর্থ পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

দেশের এভিয়েশন খাতকে আরও শক্তিশালী করতে বিমান বহর বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন বিমানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের যাত্রী পরিবহনের বড় একটি অংশ বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোর দখলে। জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বর্তমানে দেশের মোট যাত্রীর প্রায় ২০ শতাংশ পরিবহন করতে পারছে।

বিমান বহর বাড়ানো গেলে আন্তর্জাতিক গন্তব্যের সংখ্যা ও ফ্লাইট পরিচালনার সক্ষমতা আরও বাড়ানো সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।